পৃষ্ঠাসমূহ

শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩

কোঁকড়া চুলের যত্ন

 কোঁকড়া চুলের যত্ন

কোঁকড়া চুলে যা করতে হবে-

  • কোঁকড়া চুলে ঘন ঘন চিরুনী বা ব্রাশ দিয়ে আঁচড়ানো করা থেকে বিরত থাকুন।
  • চুল স্টাইল করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হিট দেওয়া থেকে বিরত থাকা।
  • ভেজা থাকা অবস্থাতেই চুল পরিপাটি বা সেট করে নিতে হবে।
  • বালিশ কাভারের জন্য সিল্ক বা স্যাটিন কাপড় ব্যবহার করা।
  • কোঁকড়ানো চুলে শ্যাম্পু করার আগেই কন্ডিশনার বা আর্দ্র হেয়ার প্যাক ব্যবহার করা।
  • চুলে মৃদু শ্যাম্পু ব্যবহার করা।
  • প্রতি তিনমাস অন্তর-অন্তর চুল ট্রিম করা। এতে চুলের আগা ফাটা সমস্যা দূর হবে।

উপকরন-

  • গোলাপ ফুলের পেস্ট- ২ চা চামচ
  • অ্যালোভেরা জেল- ১/২ কাপ
  • অলিভ অয়েল- ১ চা চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে এরসাথে গোলাপ ফুলের পেস্ট, অলিভ অয়েল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে হবে। এই প্যাক পুরো চুলে দিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে প্রায় ৩০/৩৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এতে চুল হবে নরম এবং মসৃণ।

উপকরন-

  • অ্যালোভেরা জেল- ৪ টেবিল চামচ
  • নারকেল তেল- ২ টেবিল চামচ
  • টকদই- ৩ টেবিল চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে এরসাথে নারকেল তেল এবং টকদই দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে হবে। এই প্যাক পুরো চুলে দিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে প্রায় ৩০/৩৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

উপকরন-

  • ডিমের সাদা অংশ- ২ টি
  • বাদাম তেল- ২ টেবিল চামচ
  • টকদই- ১/২ কাপ

ব্যবহার-প্রনালী- দুইটি ডিমের সাদা অংশ ভালো করে ফেটে নিয়ে এরসাথে বাদাম তেল এবং টকদই খুব ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে হবে। এই প্যাক পুরো চুলে দিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে প্যাক কিছুটা শুকিয়ে আসলে প্রায় ৩০/৩৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে হালকা গরম পানিতে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

উপকরন-

  • ভিনেগার বা আপেল সাইডার ভিনেগার- ১/২ কাপ
  • পানি- ২ কাপ

ব্যবহার-প্রনালী- ভিরেগারের সাথে পানি মিশিয়ে শ্যাম্পু করার পর চুলে লাগিয়ে রেখে ৫/৬ মিনিট পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই ভিনেগার চুলের প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও চুলের খুশকি দূর করতেও ভূমিকা রাখে।

 

সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৩

খসখসে হাতের যত্ন

 খসখসে হাতের যত্ন

স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষা উন্নত করতে হাতের সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাত হলো মানব সামাজিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। অথচ প্রতিদিনের কাজকর্মে হাত তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলে। নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে হাতের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব।

হাতকে ময়েশ্চারাইজড রাখতে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। কারন মধুতে রয়েছে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজিং ক্ষমতা। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মধু কিছুক্ষন হাতে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে পারেন। এছাড়াও হাতের যত্নে কিছু প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। যেমন-

হাতের যত্নে প্যাক-

উপকরন-

অ্যালোভেরার জেল

মধু

ব্যবহার-প্রনালী- অ্যালোভেরার পাতা কেটে জেল বের করে নিতে হবে। এরসাথে মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। এই মিশ্রণ হাতে লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর ২৫/৩০ মিনিট অপেক্ষা করে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। শুষ্কতা দূর করতে এই মিশ্রণ খুবই উপকারী। এরফলে হাত হবে উজ্জ্বল এবং মসৃণ।

উপকরন-

চন্দন

শশা

টমেটো

লেবুর রস

ব্যবহার-প্রনালী- প্রয়োজন মতো চন্দন গুঁড়োর সাথে শশা, টমেটো এবং লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে হবে। এই প্যাক হাতে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে নিতে হবে। এরফলে হাতের কালচে ভাব দূর হবে এবং উজ্জ্বল হবে।

উপকরন-

হলুদ- ১ চা চামচ

লেবুর রস- ১ চা চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- কাঁচা হলুদ বাটা বা শুকনো গুঁড়োর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খুব ভালো করে হাতে লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর ২৫/৩০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা করে ঘষে ধুয়ে নিতে হবে। এরফলে দাগ দূর হবে। একই সাথে হাত উজ্জ্বল এবং মসৃণ হবে।

এছাড়াও টকদই হাতে মেখে কিছুক্ষন পরে ধুয়ে নিলেও হাত মসৃণ হবে। আবার আলুর রস হাতে মেখেও কিছুক্ষন পরে ধুয়ে নিতে পারেন। এরফলে দাগ দূর হবে এবং উজ্জ্বলতা আসবে।

রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৩

চুলের যত্ন ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে

 চুলের যত্ন ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে 

ক্যাস্টর অয়েল রেড়ির মটরশুটির একটি উদ্ভিজ্জ তেল। এটি স্বতন্ত্র স্বাদ এবং গন্ধযুক্ত তেল। ক্যাস্টর অয়েল বর্ণহীন বা ফ্যাকাশে হলুদ বর্ণের তরল পদার্থ। এতে রয়েছে ট্রাইগ্লিসারাইডের মিশ্রণ, যার প্রায় ৯০% রিসিনোলিক অ্যাসিড। এছাড়াও অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপাদান অলিক অ্যাসিড এবং লিনোলিক অ্যাসিড রয়েছে।



চুলের যত্নে ক্যাস্টর অয়েল-

অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণে ভরপুর ক্যাস্টর অয়েল স্ক্যাল্পের নানা সমস্যা দূর করে চুলের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন-

  • নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
  • চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
  • মাথার ত্বকের সুস্থ্যতা বজায় রাখে ক্যাস্টর অয়েল।
  • চুলের শুষ্কতা দূর করে চুলকে ময়েশ্চারাইজড রাখে।
  • অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদানের কারনে ক্যাস্টর অয়েল চুল স্ক্যাল্পের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্ক্যাল্পে খুশকির প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।
  • সুস্থ্য স্ক্যাল্পের কারনে চুল পড়াও কমবে।
  • স্ক্যাল্পে ক্যাস্টর অয়েল ম্যাসাজ করার ফলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। এতে টক্সিন বের হয়ে যায় এবং হেয়ার ফলিকল প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়।

চুলে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার-

উপকরন-

  • ক্যাস্টর অয়েল
  • নারকেল তেল

ব্যবহার-প্রনালী- চুলের প্রয়োজন মতো নারকেল তেল নিয়ে মৃদু আঁচে গরম করে এরসাথে কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে ১৫/২০ মিনিট ম্যাসাজ করে নিতে হবে। এরপর ৩০/৪০ মিনিট অপেক্ষা করে সালফেট ফ্রি শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এরপর কন্ডিশনার লাগিয়ে নিতে হবে। এরফলে চুল পড়া এবং ভেঙ্গে যাওয়ার সমস্যা দূর হবে।

উপকরন-

  • ক্যাস্টর অয়েল
  • লেমন অ্যাসেনসিয়াল

ব্যবহার-প্রনালী- ক্যাস্টর অয়েল এবং ভিটামিন সি যুক্ত লেমন অ্যাসেনসিয়াল অয়েল খুব ভালো করে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর ৩০/৪০ মিনিট অপেক্ষা করে সালফেট ফ্রি শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। ভিটামিন সি যুক্ত লেমন অ্যাসেনসিয়াল অয়েল মাথার ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখে।

উপকরন-

  • ক্যাস্টর অয়েল
  • অলিভ অয়েল
  • তিলের তেল

ব্যবহার-প্রনালী- চুলের প্রয়োজন মতো সমপরিমাণে ক্যাস্টর অয়েল, অলিভ অয়েল এবং তিলের তেল মিশিয়ে মৃদু আঁচে গরম করে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর ৪০/৫০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এরফলে চুলের দ্রুত বৃদ্ধির পাশাপাশি চুলের অকাল পক্কতা দূর হবে।

উপকরন-

  • ক্যাস্টর অয়েল
  • মেথি

ব্যবহার-প্রনালী- শুকনো মেথি মিহি করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এরসাথে ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে নিতে হবে। ৩০/৪০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এরফলে চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চুল পড়া কমবে এবং মাথায় নতুন চুল গজাবে।

এছাড়াও চোখের পাতার লোম ঘন এবং কালো করতে রাতে ঘুমানোর আগে ক্যাস্টর অয়েল লাগিয়ে নিতে পারেন।

শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০২৩

বেদানার খোসায় ত্বক টানটান

 বেদানার খোসায় ত্বক টানটান

বেদানার খোসা ত্বক এবং চুলের যত্নে দারুণ কার্যকর। তিন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে বেদানাতে যা ত্বকে বলিরেখা বা বয়সের ছাপ দূর করার পাশাপাশি ত্বকের আরও নানাবিধ সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তাই এই ফলটি দামে একটু বেশী হলেও এর সব কিছুই উপকারে আসে।

বেদানার উপকারীতা-

  • বেদানা ত্বকের কোলাজেন ভাঙাতে বাধা দিয়ে ত্বককে টানটান রাখে।
  • ত্বকের ব্রণ এবং দাগছোপ দূর করতে কার্যকরী।
  • এটা ত্বকের প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে।
  • ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বেদানার রস ত্বক নরম করে এবং শুষ্কতা দূর করে আর্দ্রতা বজায় রাখে।
  • বেদানার রস চুলের নানা সমস্যা দূর করে এবং চুলের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে।

ত্বকের যত্নে বেদানার খোসার ব্যবহার-

উপকরন-

  • বেদানার খোসা
  • গোলাপজল

ব্যবহার-প্রনালী- বেদানার খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিয়ে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট পরে পরিষ্কার পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এরফলে ত্বকের পিএইচ মান বজায় থাকবে। ত্বককে বলিরেখার হাত থেকে রক্ষা করবে।

উপকরন-

  • বেদানার খোসা
  • গোলাপজল
  • টকদই
  • অ্যাসেনসিয়াল অয়েল

ব্যবহার-প্রনালী- বেদানার খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিয়ে গোলাপজল, টকদই এবং অ্যাসেনসিয়াল অয়েল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট পরে পরিষ্কার পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই প্যাক ব্যবহারের ফলে  ত্বকের মরা চামড়া উঠে যাবে। একইসাথে ব্রণের দাগও দূর হবে।

উপকরন-

  • বেদানার খোসা
  • মধু
  • লেবুর রস

ব্যবহার-প্রনালী- বেদানার খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিয়ে এরসাথে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট পরে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এতে ত্বকের ময়লা দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল এবং নরম করবে এই প্যাক।

উপকরন-

  • বেদানার খোসা
  • বেদানার রস

ব্যবহার-প্রনালী- বেদানার খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিয়ে এরসাথে বেদানার রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বেদানার খোসা এবং রসের এই মিশ্রণ ত্বক টানটান করে। এই মিশ্রণ ত্বকে লাগিয়ে প্রায় ২৫/৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে নিতে হবে।

উপকরন-

  • বেদানার খোসা
  • কাঁচা দুধ

ব্যবহার-প্রনালী- বেদানার খোসা দুধের সাথে বেটে বা ব্লেন্ড করে মুখে গলায় লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এতে ত্বকের বলিরেখা দূর হবে এবং ত্বক হবে উজ্জ্বল।

এছাড়াও ময়েশ্চারাইজারের সাথে কয়েক ফোঁটা বেদানার রস মিশিয়ে ত্বকে লাগালেও ত্বকে বয়সের ছাপ দূর হবে।

বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৩

জয়তুন তেল চুলে ব্যবহার

 জয়তুন তেল চুলে ব্যবহার

জয়তুনের বৈজ্ঞানিক নাম Olea europaea এটা এধরনের ফল। এর দ্বারা তৈরি তেল বহুগুণে সমৃদ্ধ।



জয়তুন তেলের পুষ্টি উপাদান-

মনোস্যাচুরেটেড সমৃদ্ধ এই তেল। এতে রয়েছে ভিটামিন ই এবং কে, ওমেগা-৯ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা নিয়মিত খাবার ফলে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে, পরিপাকতন্ত্রও ভালো রাখে এবং কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়। এই তেল ব্যবহার এবং খাদ্য হিসেবে গ্রহনের ফলে ত্বক এবং চুলও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়।

জয়তুন তেলের উপকারীতা-

  • জয়তুন তেল চুল পড়া রোধ করে।
  • জয়তুন তেল নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
  • নিয়মিত জয়তুন তেলের ব্যবহার চুলের গোড়া শক্ত ও মজবুত করে।
  • চুল ছাড়াও মাথার ভেতরের সমস্যাও জয়তুন তেল ব্যবহারে দূর হতে পারে।
  • এছাড়াও শরীরে কোন ধরনের চর্মরোগ থাকলে এই তেল ব্যবহারের ফলে উপকার পাওয়া যাবে। জয়তুন তেল ব্যবহারের ফলে চুলের সব ধরনের সমস্যার সমাধান মিলবে।

চুলের যত্নে জয়তুনের প্যাক-

উপকরন-

  • জয়তুন তেল- ২ টেবিল চামচ
  • ডিম- ১ টি
  • লেবুর রস- ১/২ চা চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- ডিমের কুসুম ভালো করে ফেটে এরসাথে জয়তুন তেল এবং লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। এই মিশ্রণ চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০/৪০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এতে চুল হবে নরম এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

এছাড়াও শ্যাম্পু করা চুলে কন্ডিশনারের পরিবর্তে কয়েক ফোঁটা জয়তুন তেল হাতে ঘষে চুলে লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর টাওয়াল গরম পানিতে ভিজিয়ে মাথায় পেঁচিয়ে নিতে হবে। এরফলে নতুন চুল গজাবে।

বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০২৩

চুল কালো কর তেঁতুলে

 চুল কালো কর তেঁতুলে

পাকা টক-মিষ্টি স্বাদের তেঁতুল, যার বৈজ্ঞানিক নাম- Tamarindus indica


তেঁতুলে রয়েছে-

  • প্রচুর পরিমানে অ্যাসিড
  • শর্করা
  • ভিটামিন বি
  • ক্যালসিয়াম।
  • এছাড়াও এর পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা চুলের যত্নে কার্যকর।

তেঁতুলের উপকারীতা-

  • কাঁচা বা পাঁকা তেঁতুল খাবার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে উচ্চ রক্তচাপ সমস্যা কিছুটা উপশম হয়।
  • তেঁতুলে রয়েছে টারটারিক এসিড যা খাদ্য হজমে সহায়তা করে।
  • তেঁতুল রক্তের কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ করে।
  • সকালে পাঁকা তেঁতুল ভিজানো পানি খেলে হাত- পায়ের জ্বালা কমবে।
  • জ্বরের রোগী তেঁতুল খেলে উপকার পেতে পারেন।
  • চুলের অকালপক্কতা দূর করে।
  • চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
  • চুলের গোড়া মজবুত করে চুল পড়া দূর করে।
  • প্রাকৃতিক উপায়ে চুল কালো করে।
  • খুশকি দূর করে।

উপকরন-

  • তেঁতুল পাতা
  • টকদই

ব্যবহার-প্রনালী- চুলের ঘনত্ব অনুযায়ী তেঁতুল পাতা ব্লেন্ড করে নিয়ে এরসাথে টকদই মিশিয়ে হেয়ার প্যাক তৈরি করে নিতে হবে। এই প্যাক চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০/৪০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এতে চুল কালো হবে।

উপকরন-

  • তেঁতুল
  • পাতিলেবুর রস

ব্যবহার-প্রনালী- পাঁকা তেঁতুল হালকা গরম পানিতে কিছুক্ষন ভিজিয়ে ক্কাথ তৈরি করে নিতে হবে। এরপর এরসাথে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে ২০/২৫ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এভাবে চুলের খুশকি দূর হবে। দ্রুত ফলাফল পেতে সপ্তাহে ২/৩ দিন এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

উপকরন-

  • তেঁতুল
  • পেঁয়াজের রস

ব্যবহার-প্রনালী- পাঁকা তেঁতুল হালকা গরম পানিতে কিছুক্ষন ভিজিয়ে ক্কাথ তৈরি করে নিতে হবে। এরপর এরসাথে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে প্যাক কিছুটা শুকিয়ে আসলে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরফলে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং চুল পড়া সমস্যার সমাধান মিলবে। সপ্তাহে একদিন এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

এছাড়াও তেঁতুল পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে এই পানি চুলে ঢেলে গরম পানিতে টওয়াল ভিজিয়ে মাথায় ১৫/২০ পেঁচিয়ে রেখে পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিলে উপকৃত হবেন।

মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০২৩

কেওলিনে ত্বকের যত্ন

 কেওলিনে ত্বকের যত্ন

কেওলিন এক ধরনের সাদা মাটি বা কাদামাটি। এই মাটি তৈলাক্ত ও শুষ্ক উভয়ই ত্বকের যত্নেই কার্যকর।


ত্বকে কেওলিন পাউডারের উপকারীতা-

  • ত্বকের ব্রণ দূর করে।
  • শুষ্কতা দূর করে, ত্বককে আর্দ্র রাখে।
  • ত্বকের কালো দাগছোপ দূর করে।
  • ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
  • অ্যান্টিব্যক্টেরিয়াল সমৃদ্ধ কেওলিন ত্বকের ময়লা দূর করে ত্বক পরিষ্কার করতে কার্যকর।
  • কেওলিন পাউডার ত্বকের অতিরিক্ত তেল বা সিবাম নির্গত হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

সাধারণত কেওলিন লাল, গোলাপি হলুদ রঙের হয়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী এগুলো ব্যবহার করতে হবে। লাল এবং গোলাপি রঙের কেওলিন ক্লে তৈলাক্ত ও খুব বেশি সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। আর হলুদ রঙের কেওলিন সংবেদনশীল ত্বকের জন্য উপযোগী।

সব ধরনের ত্বকের জন্য কেওলিনের প্যাক উপকারী। 

উপকরন-

  • কেওলিন ক্লে- ১ চা চামচ
  • অ্যালোভেরা জেল- ২ চা চামচ
  • টি ট্রি অয়েল- ১/২ চা চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- কেওলিনের সাথে অ্যালোভেরা এবং টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে ১০/১৫ মিনিট অপেক্ষা করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ফলে ত্বকের ব্রণ দূর হবে। তবে ব্রণ না থাকলে টি ট্রি অয়েল বাদ দিয়েও এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

উপকরন-

  • কেওলিন ক্লে- ২ চা চামচ
  • মধু- ১ চা চামচ
  • টকদই- ১ চা চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- কেওলিনের সাথে মধু এবং টকদই মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে ১০/১৫ মিনিট অপেক্ষা করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখে।

উপকরন-

  • কেওলিন ক্লে- ২ চা চামচ
  • শশার রস- ২ চা চামচ
  • লেবুর রস- ১ চা চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- কেওলিনের সাথে শশা এবং লেবুর রস মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট অপেক্ষা করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর হবে। সানবার্ন এবং ত্বকের কালচে ভাবও দূর হবে সহজে।

উপকরন-

  • কেওলিন ক্লে- ২ চা চামচ
  • আমন্ড- ১ চা চামচ
  • দুধ- ২ চা চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- আমন্ড গুঁড়া বা ভিজিয়ে পেস্ট করে নিতে হবে এরসাথে কেওলিন, দুধ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট অপেক্ষা করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এতে ত্বক হবে ঝকঝকে উজ্জ্বল।

উপকরন-

  • কেওলিন ক্লে- ২ চা চামচ
  • মাল্টার বা কমলার খোসা
  • গোলাপজল

ব্যবহার-প্রনালী- কেওলিনের সাথে কমলা বা মাল্টার খোসা গুঁড়া গোলাপজল দিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ১০/১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধীরে-ধীরে স্ক্রাবিং করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বকের মৃত চামড়া দূর হবে এবং ত্বক হবে উজ্জ্বল।


সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩

চুল রঙ ঘরোয়া ভাবে

 চুল রঙ ঘরোয়া ভাবে

হলুদের গুণগত বৈশিষ্ট্য চুলের স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখে।


হলুদের পুষ্টি উপাদান

  • ক্যালরি- ২৯%
  • প্রোটিন- ০.৯১ গ্রাম
  • চর্বি- ০.৩১ গ্রাম
  • কার্বোহাইড্রেট- ৬.৩১ গ্রাম
  • আঁশ- ২.১ গ্রাম
  • শর্করা- ০.৩ গ্রাম
  • ম্যাংগানিজ- ২৬%
  • আয়রন- ১৬%

চুলের যত্নে হলুদের বিভিন্ন ব্যবহার-


উপকরন-

  • হলুদ
  • নারকেল তেল
  • মধু
  • কাঁচা দুধ

ব্যবহার-প্রনালী- কাঁচা হলুদ ব্লেন্ড করে এরসাথে নারকেল তেল, মধু এবং কাঁচা দুধ মিশিয়ে মসৃণ প্যাক তৈরি করে নিতে হবে। এই প্যাক চুল এবং স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে। ৪০/৪৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরফলে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং চুল পড়া দূর হবে।

উপকরন-

  • হলুদ
  • নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল

ব্যবহার-প্রনালী- কাঁচা হলুদ ব্লেন্ড করে এরসাথে সমপরিমান নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুল এবং স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে। ৩০/৪০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরফলে হলুদের অ্যান্টিসেপটিক উপাদান চুলের খুশকি দূর করতে সহায়তা করে। এবং চুলের বৃদ্ধিতেও কার্যকর। সপ্তাহে একদিন এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন।

উপকরন-

  • হলুদ
  • মেহেদি
  • টকদই

ব্যবহার-প্রনালী- কাঁচা হলুদ এবং মেহেদি ব্লেন্ড করে এরসাথে টকদই মিশিয়ে পুরো চুল এবং স্ক্যাল্পে লাগিয়ে রাখতে হবে। এই প্যাক কিছুটা শুকিয়ে আসলে প্রায় ৪০/৪৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরফলে চুলে লালচে আভার সৃষ্টি হবে।

উপকরন-

  • হলুদ
  • ডিমের কুসুম

ব্যবহার-প্রনালী- চুলের প্রয়োজন মতো কাঁচা হলুদ ব্লেন্ড করে এরসাথে ডিমের কুসুম মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে হবে। এই প্যাক চুল এবং স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে। ৪০/৪৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরফলে চুল হবে মজবুত এবং ঝলমলে।

হলুদ দিয়ে তৈরি এই প্যাকগুলো ব্যবহারের ফলে চুল হবে ঝলমলে মজবুত। এর পাশাপাশি দূর হবে চুল এবং মাথার ত্বকের বিভিন্ন ইনফেকশন। হলুদ ব্যবহারের পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে কিছুটা কাঁচা হলুদ খেলে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।


রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩

চুল ঘন ফুলে

চুল ঘন ফুলে

সুগন্ধীযুক্ত গেঁদা বা গাঁদা ফুল সর্বত্র পাওয়া যায় এবং সহজেই জন্মায়। ভেষজ গুণের এই ফুল চুল এবং ত্বকের জন্য কার্যকর।

গাঁদা ফুলের রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা চুলের জন্য উপকারী।

চুলের উপকারে গাঁদা ফুলের তেল-

উপকরন-

  • গাঁদা ফুল- ১ টি
  • অলিভ অয়েল- ১/২ কাপ

ব্যবহার-প্রনালী- একটি পাত্রে অলিভ অয়েল এবং গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি দিয়ে মৃদু আঁচে কিছুক্ষন জ্বাল দিলে, ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে।

উপকরন-

  • গাঁদা ফুল- ১ টি
  • নারকেল তেল- ১/২ কাপ
  • মেথি- ১ টেবিল চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- একটি পাত্রে নারকেল তেল, মেথি এবং গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি দিয়ে মৃদু আঁচে কিছুক্ষন জ্বাল দিলে, ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। এই তেল ব্যবহারের ফলে চুল হবে ঘন এবং মজবুত। এছাড়াও চুল এবং মাথার ত্বকের শুষ্কতাও দূর হবে।

চুলের উপকারে গাঁদা ফুলের প্যাক-

উপকরন-

  • গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি- ১/২ কাপ
  • মেথি- ১ টেবিল চামচ
  • বাদাম তেল- ১ টেবিল চামচ
  • পাঁকা কলা- ১ টি

ব্যবহার-প্রনালী- রাতে মেথি পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি এবং কলা একসাথে ব্লেন্ড করে করে নিতে হবে। এরসাথে বাদাম তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে হবে। এই প্যাক চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। প্রায় ৪০/৪৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরফলে চুল হবে উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

উপকরন-

  • গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি- ১/২ কাপ
  • মেথি- ১ টেবিল চামচ
  • মৌরি- ১ টেবিল চামচ

ব্যবহার-প্রনালী- রাতে মেথি এবং মৌরি পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন গাঁদা ফুলের পাঁপড়িসহ ব্লেন্ড করে করে নিতে হবে। এই প্যাক চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। প্রায় ৪০/৪৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরফলে খুশকি দূর হবে সহজেই।


শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩

চুল বৃদ্ধি করবে তিসি

 চুল বৃদ্ধি করবে তিসি


তিসি আঁশসমৃদ্ধ তেল বীজ। যার বৈজ্ঞানিক নাম-linum usitatissimum

তিসিতে রয়েছে-

  • ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড
  • প্রোটিন
  • কার্বোহাইড্রেট
  • ফাইবার
  • আয়রন
  • ম্যাগনেসিয়াম
  • ক্যালসিয়াম
  • ফসফরাস
  • অ্যামিনো অ্যাসিড
  • এছাড়াও-
  • ভিটামিন-এ
  • ভিটামিন-সি
  • ভিটামিন-বি৬
  • ভিটামিন-ডি

চুলের যত্নে তিসি-

  • নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
  • চুলের গোড়া শক্ত করে এবং চুল পড়া রোধ করে।
  • চুলকে ঘন ও কালো করে তিসি।
  • চুলের টেক্সচার পরিবর্তন করে চুলকে মসৃণ করে।
  • তিসি চুলের খুশকি দূর করতে কার্যকর।

চুলের যত্নে তিসির প্যাক-

উপকরন-

  • তিসি
  • আদার রস
  • ক্যাস্টার অয়েল

ব্যবহার- প্রনালী- তিসি পানিতে ভিজিয়ে ব্লেন্ড করে এরসাথে আদার রস এবং ক্যাস্টার অয়েল মিশিয়ে ঘন হেয়ার মাস্ক তৈরি করে নিতে হবে। এই মাস্ক পুরো চুলে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। প্রায় ৪০/৫০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তিসিতে রয়েছে ভিটামিন ই যা চুলের পিএইচ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে চুলকে নরম ও কোমল করে। এছাড়াও চুলের দ্রুত বৃদ্ধি করে।

উপকরন-

  • তিসি
  • অ্যালোভেরা জেল।

ব্যবহার- প্রনালী- তিসি পানিতে ভিজিয়ে ব্লেন্ড করে এরসাথে অ্যালোভেরার জেল মিশিয়ে ঘন হেয়ার মাস্ক তৈরি করে নিতে হবে। এই মাস্ক পুরো চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। প্রায় ৪০/৫০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরফলে চুল হবে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

উপকরন-

  • তিসি- ২ চা চামচ
  • টকদই- ২ চা চামচ

ব্যবহার- প্রনালী- তিসি পানিতে ভিজিয়ে ব্লেন্ড করে বা পানিতে দিয়ে সিদ্ধ করে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এছাড়াও তিসি গুঁড়ো করে পাউডার তৈরি করেও নেওয়া যেতে পারে। এরপর এরসাথে টকদই মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্ট পুরো চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। প্রায় ৪০/৫০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তিসিতে রয়েছে ভিটামিন বি, যা চুলের দ্রুত বৃদ্ধি করে এবং এর ভিটামিন ই চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

চুলের জন্য কলা ব্যবহার করার সুবিধা কি

  চুলের জন্য কলা ব্যবহার করার সুবিধা কি কলা চুলের গঠন, ঘনত্ব এবং চকচকে বাড়াতে পারে? কলার হেয়ার মাস্কের উপকারিতা DIY হেয়ার মাস্ক রেসিপি চু...