চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার
সাধারণত চুল পড়ার কারণগুলো
ব্যক্তির স্বাস্থ্য, পুরুষ এবং মহিলার জীবনযাপন ব্যবস্থা, পরিবেশগত উপাদানের উপর ভিত্তি
করে। চুল পড়ার কিছু সাধারণ কারণ নিম্নরুপ-
- অতিরিক্ত স্ট্রেস এবং মানসিক চিন্তার কারণে চুল পড়তে পারে।
- অতিরিক্ত শারীরিক এবং মানসিক পরিশ্রমের ফলে চুল পড়তে পারে।
- শারীরিক কোন অসুস্থ্যতার কারণে চুল পড়তে পারে।
- নারীর গর্ভধারনের কারণে চুল পড়তে পারে।
- সস্তা মানের অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারে চুল পড়ে যেতে পারে।
উপকরন-
- টকদই
- মধু
- লেবুর রস
ব্যবহার-প্রনালী- চুলের প্রয়োজন মতো টকদই নিয়ে এরসাথে মধু
এবং লেবুর রস মিশিয়ে হেয়ার প্যাক তৈরি নিতে হবে। এই প্যাক চুলে এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে
অপেক্ষা করতে হবে। ২৫/৩০ মিনিট পরে প্যাক কিছুটা শুকিয়ে আসলে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে
নিতে হবে। ভিটামিন বি ও প্রোটিন সমৃদ্ধ এই প্যাক চুলের শুষ্কতা দূর হয়ে চুলে আর্দ্রতা
বজায় রাখে।
উপকরন-
- মেথি
- টকদই
- মধু
ব্যবহার-প্রনালী- চুলের প্রয়োজন মতো মেথি রাতে
পানিতে ভিজিয়ে রেখে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এরসাথে টকদই এবং মধু মিশিয়েও চুলে লাগাতে
পারেন। আবার শুধু মেথির পেস্টও লাগাতে পারেন। এই প্যাক চুলে লাগিয়ে ২৫/৩০ মিনিট পরে
প্যাক কিছুটা শুকিয়ে আসলে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিতে হবে। মেথির এই প্যাক চুলকে নরম, মসৃণ
করার পাশাপাশি চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।
এছাড়াও-
- নারকেল দুধ- নারকেল দুধে রয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য প্রয়োজন। এছাড়াও নারকেল দুধে রয়েছে প্রোটিন এবং পটাশিয়াম, যা চুলকে করে সতেজ আর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। সপ্তাহে একদিন এই তেল হালকা হাতে ম্যাসাজ করলে উপকার পাওয়া যাবে।
- অ্যালোভেরা- অ্যালোভেরা পাতা
থেকে জেল বের করে চুল এবং মাথার ত্বকে লাগালে চুল এবং মাথার ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স
নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তবে সরাসারি পাতার জেল সহ্য না হলে,
সেক্ষেত্রে কিছুক্ষন মৃদু আঁচে গরম করেও ব্যবহার করতে পারেন।
- নিমপাতা- নিমপাতা খুব ভালো করে পানিতে ফুটিয়ে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে সপ্তাহে অন্তত একবার শ্যাম্পু করার পর নিমপাতার পানিতে চুল ধুয়ে নিলে খুশকিসহ স্ক্যাল্পের অন্যান্য সমস্যা দূর হবে।
.png)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন