চুল গজাতে খাবার
চুল গজাতে তেলের ব্যবহার
- ক্যাস্টর অয়েল চুল ভালো রাখতে
খুবই কার্যকরী। মাথার তালু বা স্ক্যাল্পে হওয়া বিভিন্ন ইনফেকশন, ইচিং বা চুলকানি, খুশকি ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করে ক্যাস্টর
অয়েল। এতে অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান
রয়েছে। এটি ভিটামিন ই এবং ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ যা
চুলের ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
- নারকেল তেল চুলের আর্দ্রতা ধরে
রাখে। অন্য যে কোন তেলের চেয়ে নারকেল তেল চুলে তাড়াতাড়ি শুষে নেয়। তাই চুলের ডিপ কন্ডিশনিং করতে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন।
তবে এর জন্য বেছে নিতে হবে ভার্জিন কোকোনাট অয়েল।
- খুশকির কারণে যে জ্বালাভাব,
চুলকানি ও প্রদাহের সৃষ্টি হয়
তা দূর করতে সাহায্য করে অলিভ অয়েলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
এতে চুল হয় মসৃণ ও ঝলমলে। অলিভ
অয়েল চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও আর্দ্রতা বজায় রাখে। চুল ঝরে পড়ার সমস্যা কমাতেও অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই।
চুল গজাতে কোন ধরনের খাবার খাবেন-
- নতুন চুল
গজানোর জন্যে অবশ্যই শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানে অ্যামিনো এসিড সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহন করতে হবে। খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করতে হবে। চুলের
যত্নে সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদিও খেতে পারেন। তবে উদ্ভিজ্জ উৎসের
তুলনায় প্রানীজ উৎসে প্রোটিনের পরিমান তুলনামূলক ভাবে বেশি।
এছাড়াও-
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকী চুল পাকা রোধ করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ফল খুশকি দূর করতেও সাহায্য করে। দ্রুত নতুন চুল গজাতে সকালে আমলকী এবং অ্যালোভেরা একসাথে রস তৈরি করে খেতে পারেন।
- চুল পাকা রোধ করে চুলকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে কারি পাতা। সকালে খালি পেটে ৪/৫ টি কারি পাতার রস সেবন চুল এবং শরীরকে ভালো রাখবে। কারি পাতায় রয়েছে যথেষ্ঠ পরিমানে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড যা শরীরের জন্য উপকারী।
- পুষ্টিসমৃদ্ধ বাদামে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই এবং বায়োটিন যা চুলকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখে। নিয়মিত সকালে খালি পেটে বাদাম খাওয়া শরীরের জন্য ভালো।
- শজনে ডাঁটা চুলের ফলিকলকে ভালো রাখে। কারণ এতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা চুলের জন্য উপকারী।
- চিনাবাদাম ভিটামিন ই, জিঙ্ক এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ যা চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ অলিভ
অয়েলের বীজ চুলকে সতেজ
এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ।
- মেথি চুল এবং শরীরের জন্য খুবই উপকারী। ফাইটোয়েস্ট্রোজেন সমৃদ্ধ মেথি পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি খেলে চুল এবং শরীর উভয়ই ভালো থাকবে।
- চুলের বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় দুইটি উপাদান হলো- সালফার এবং সিলিকন যা শশাতে প্রচুর পরিমানে রয়েছে। তাই শশা খাবার ফলে হাইড্রেট থাকে এবং স্ক্যাল্পের প্রদাহ দূর হবে।
.png)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন