ত্বক দাগ মুক্ত
পুষ্টিকর ফল পেঁয়ারা যার বৈজ্ঞানিক নাম Psidium
guajava বিভিন্ন খনিজ ও ভিটামিনের কারনে পেঁয়ারা রোগ প্রতিরোধ ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
ব্যবহার-প্রনালী- ত্বকের প্রয়োজন মতো পেঁয়ারা পাতা ব্লেন্ড করে এতে লেবুর
রস মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে প্রায় ২০/২৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে মুখ ভালো করে ধুয়ে
নিতে হবে। এতে ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর হবে এবং ত্বক পরিষ্কার হবে। এই
প্যাক নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।
উপকরন- পেঁয়ারা পাতা
ব্যবহার-প্রনালী- ত্বকের প্রয়োজন মতো পেঁয়ারা পাতা ব্লেন্ড করে। ত্বকে
লাগিয়ে প্রায় ২০/২৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এতে
ত্বকের কালো দাগছোপ দূর হবে। কারন এই পাতায় রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান যা
ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস ধ্বংস করে। আর এই ব্যাকটেরিয়া হলো অ্যাকনের প্রধান কারণ।
উপকরন-
- পেঁয়ারা পাতা
- অ্যালোভেরার জেল
- সামান্য হলুদ
ব্যবহার-প্রনালী- ত্বকের প্রয়োজন মতো পেঁয়ারা পাতা ব্লেন্ড করে এরসাথে অ্যালোভেরার
জেল এবং সামান্য হলুদ মিশিয়ে নাকের দুইপাশে বা যেসমস্ত জায়গায় ব্ল্যাক হেডস এবং
ব্রণ রয়েছে সেসব স্থানে এই প্যাক লাগিয়ে প্রায় ২০/২৫ মিনিট রেখে ধীরে-ধীরে ঘষে
ঠান্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এতে ব্রণ এবং ব্ল্যাক হেডসের সমস্যা দূর
হবে।
উপকরন- পেঁয়ারা পাতা
ব্যবহার-প্রনালী- ত্বকের প্রয়োজন মতো পেঁয়ারা পাতা ব্লেন্ড করে ত্বকে
লাগিয়ে প্রায় ২০/২৫ মিনিট রেখে কিছুটা শুকিয়ে আসলে ঠান্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে
নিতে হবে। পেঁয়ারা পাতার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে বয়সের ছাপ কমিয়ে ত্বক রাখে
টানটান।
উপকরন-
- পেঁয়ারা পাতা
- টি ট্রি অয়েল
ব্যবহার-প্রনালী- কিছু পেঁয়ারা পাতা পানিতে প্রায় ১০/১২ মিনিট ফুটিয়ে পানি ঠান্ডা করে নিতে হবে। এরপর এরসাথে টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বকের জ্বালা এবং চুলকানির মতো সমস্যা কমবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন