পৃষ্ঠাসমূহ

সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৩

চুল পড়া রোধ করতে দুটি উপায়

চুল পড়া রোধ করতে দুটি উপায়

চুল পড়া রোধ করতে দুটি উপায়

বিভিন্ন কারণে চুল পড়ে। এর অনেকগুলো কারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো বংশগত কারণ। চুল পড়া এবং চুলের ক্ষতির পিছনে রয়েছে জিনগত কারন। বংশগত চুল পড়া রোধ করা য়ায় না। তবে এমন কিছু চিকিৎসা আছে, যা চুলের বৃদ্ধি বজায় রাখতে পারে।

দুটি উপায়ে চুল পড়া রোধ করা যেতে পারে। যথা-

  • ট্রিটমেন্ট বা ডাক্তারি চিকিৎসার মাধ্যমে।
  • প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে।

চিকিৎসার মাধ্যমে চুল পড়া রোধ- মিনোডিক্সিল যা ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করতে পারেন।মাথার আক্রান্ত স্থানে ড্রপার দিয়ে ১ মিলি করে অথবা ডাক্তারের পরামর্শে দিনে দুইবার ৮/১০ টি স্প্রে প্রয়োগ করতে হবে। প্রতিদিন সকালে এবং রাতে মাথা ভালো করে শুকিয়ে এটা ব্যবহার করতে হবে। প্রথম অবস্থায় চুল পড়া কিছুটা বেড়ে যেতে পারে। এর কিছুদিন পর অর্থাৎ চার মাস পরে নতুন চুল গজাতে থাকবে।

স্পিরোনোল্যাকটোন- চুল পড়া রোধ করে এবং চুলের বৃদ্ধি করে। ২০১৫ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, ৭৫% মহিলার স্পিরোনোল্যাকটোন ব্যবহারের ফলে চুল পড়া হ্রাস পেয়েছে। একই সাথে চুলের বৃদ্ধি এবং ঘন হয়েছে। ডাক্তারের পরামর্শে এটি ১০০ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম দৈনিক ব্যবহার করা যেতে পারে। যেহেতু এটি তন্দ্রার সৃষ্টি করে, তাই এটি রাতেই গ্রহন করা শ্রেয়।

যেসমস্ত ভিটামিনের অভাবে চুল পড়ে-

রিবোফ্লাভিন, বায়োটিন, ফোলেট এবং ভিটামিন বি১২ এর অভাবে চুল পড়ে।

বায়োটিনের উৎস- ফল, শাকসবজি, দুগ্ধজাত পণ্য, ডিম, মাংস, বাদাম, বীজ, সামুদ্রিক খাবার এবং চর্বিহীন মাংস।

কলা, পেঁপে, স্ট্রবেরি, গুজবেরি, কমলা, আপেল, পেঁয়ারা। 


চুল পড়া রোধ করতে দুটি উপায়

ডাক্তারি চিকিৎসার পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করেও আকর্ষণীয় চুল পাবার কৌশল-

খাদ্য গ্রহনের মাধ্যমে চুল পড়া রোধ-

  • ডিম
  • গাজার
  • ওটস
  • পালং শাক
  • মিষ্টি আলু
  • দুগ্ধজাত পণ্য (কম চর্বিযুক্ত)
  • অ্যাভোকাডো
  • আমলকী

চুল পড়া বন্ধ করতে প্রাকৃতিক উপাদান

পেঁয়াজের রস।

পুষ্টি উপাদান- সালফার, আয়রন, বায়োটিন, দস্তা, সিলিকন, সেলেনিয়াম।

চুলের বৃদ্ধির জন্য উপযোগী তেল- ক্যাস্টর অয়েল, পেপারমিন্ট, পেঁয়াজ, নারকেল, জোজোবা, ওরগান, আমলা, জলপাই, আঙ্গুরের বীজ, রোজমেরি এবং চাপাতা ইত্যাদি। তবে এগুলো ক্যারিয়ার তেলের (ক্যারিয়ার তেল এবং অপরিহার্য তেল উদ্ভিদ থেকে তৈরি করা হয়। ক্যারিয়ারের তেলগুলি অপরিহার্য তেলগুলিকে পাতলা করার জন্য এবং ত্বককে ”বহন” করার জন্য ব্যবহৃত হয়। অপরিশোধিত তেলগুলো শক্তিশালী এবং ত্বকে সরাসরি প্রয়োগে জ্বালা হতে পারে।) সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। এগুলো রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে এবং চুল মজবুত করতে সাহায্য করে।

চুলের ঘনত্ব বাড়ানোর উপায়-

  • ডিম- ডিম প্রোটিন সমৃদ্ধ, যা চুল ঘন করার জন্য অপরিহার্য।
  • অলিভ অয়েল- এতে রয়েছে ওমেগা-৩ এবং অন্যান্য পুষ্টিতে সমৃদ্ধ যা চুলের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়।
  • অ্যালোভেরা- এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি এবং ই। এই তিনটি ভিটামিনই স্বাস্থ্যকর কোষের বৃদ্ধি এবং চকচকে চুল তৈরিতে অবদান রাখে। ভিটামিন ই১২ এবং ফলিক অ্যাসিডও অ্যালোভেরাতে রয়েছে। এই উপাদান চুল পড়া রোধ করে।
  • পেঁয়াজের রস- দিনে ২ বার মাথার ত্বকে পেঁয়াজের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
  • চাল ধোয়া পানি- চাল ধোয়া পানিতে থাকা প্রোটিন চুলের স্ট্র্যান্ডে প্রবেশ করায় চুল লম্বা এবং ঘন করে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

চুলের জন্য কলা ব্যবহার করার সুবিধা কি

  চুলের জন্য কলা ব্যবহার করার সুবিধা কি কলা চুলের গঠন, ঘনত্ব এবং চকচকে বাড়াতে পারে? কলার হেয়ার মাস্কের উপকারিতা DIY হেয়ার মাস্ক রেসিপি চু...