বয়স কমাতে করনীয়
উপকরন-
- মুলতানি মাটি- ২ চা চামচ
- অ্যালোভেরা জেল- ২ চা চামচ
- কফি- ১/২ চা চামচ
তৈরির
প্রনালী- মুলতানি
মাটি, অ্যালোভেরা জেল এবং কফি একসাথে ভালো করে মিশিয়ে ঘন ক্রিমি করে নিতে হবে।
প্রয়োজন অনুযায়ী এই পরিমান কম বা বেশি করে নিতে পারেন।
ব্যবহার-প্রনালী-
এই মিশ্রণ ১৫/২০ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এরপর আবার অ্যালোভেরা জেল পুরো মুখে মেখে নিন।
আলাদা করে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের প্রয়োজন নাই।
শুষ্ক
এবং তৈলাক্ত সব ধরনের ত্বকের জন্যই এটা উপকার।
সবচেয়ে
ভালো হয় যদি সরাসরি গাছের অ্যালোভেরা পাতা ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি কেনা
অ্যালোভেরার জেল ব্যবহার করেন, সেক্ষেত্রে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে যাতে জেলটিতে ১%
সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে।
ত্বকের
যত্নে অ্যালোভেরা- ভেষজ উপাদান যা সাধারণত ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত হয়। ফুল, পাতা বা
গাছ যা সাধারণত ঔষুধি উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। এগুলো অসাধারণ গুণের কারণে
বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এই ভেষজ উপাদানগুলো রন্ধন, চিকিৎসা সহ আধুনিক
রুপচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আবার রন্ধনসম্পর্কীয় ভেষজগুলিতেও
নিরাময়ের বৈশিষ্ট্যের কারনে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করা হয়। এই উপাদান ত্বক উজ্জ্বল
করে। ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের ব্রণ
পরিষ্কার করে। সূর্যের আলো এবং অন্যান্য ধূলোবালির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বকের
টিস্যুগুলি মেরামত করে। ত্বকে বার্ধক্যজনিত লক্ষণগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করে ত্বকের
মসৃণতা বজায় রাখে। ভেষজ উপাদান থেকে তৈরি তেল যা ত্বক উজ্জ্বল করে। এতে রয়েছে
এনজাইম, খনিজ, শর্করা, লিগনিন, স্যাপোনিন, স্যালিসিলিক অ্যাসিড এবং অ্যামিনো অ্যাসিড।
ভিটামিন এ (বিটা-ক্যারোটিন), সি এবং ই যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়াও ভিটামিন
বি১২, ফলিক অ্যাসিড এবং কোলিনও রয়েছে।
অ্যালোভেরার
উপকারিতা-
- অ্যান্টি-এজিং
- ব্রণের
বিরুদ্ধে কার্যকরী
- হাইড্রেটিং
- ময়েশ্চারাইজিং
- অ্যালোভেরার জুস খাবার ফলে হজম শক্তি বাড়ে।
- জ্বালা-পোড়া প্রশমিত করে।
- ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।
এছাড়াও
ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আরও কিছু অভ্যাস আয়ত্ত্ব করা দরকার। যেমন-
- পর্যাপ্ত পানি পান করা।
- ব্যায়াম করা
- ধ্যান চর্চা
- গভীর শ্বাসের ব্যায়াম
- রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানো।
.png)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন