থানকুনি পাতার উপকারিতা
থানকুনি ছোট বর্ষজীবী উদ্ভিদ। ভেষজ এই
উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম Centella asiatica ভেষজ এই উদ্ভিদের রয়েছে বিভিন্ন ব্যবহার।
এটি রান্না করে খাওয়া থেকে শুরু করে ঔষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এটি চুল এবং ত্বকের
যত্নেও ব্যবহার করা হয়।
থানকুনি পাতার পুষ্টি উপাদান-
- অ্যামাইনো অ্যাসিড
- ক্যালসিয়াম
- আয়রন
- ম্যাগনেসিয়াম
- পটাসিয়াম
- ফসফরাস
- ক্যারোটিনয়েড
- বিটা ক্যারোটিন
- ফ্যাটি অ্যাসিড
- ফাইটোকেমিক্যাল
- ভিটামিন-এ, সি, বি৯
থানকুনি পাতার গুনাগুণ-
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ থানকুনি পাতা ত্বককে সতেজ প্রাণবন্ত করে।
- থানকুনি পাতাতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ত্বকের ব্রণ এবং ব্রণের দাগ দূর করে।
- থানকুনি পাতায় রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইটোকেমিক্যাল যা ত্বককে আর্দ্র এবং কোমল রাখতে সাহায্য করে।
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ থানকুনি পাতা সর্দি, কাশি, গলা ব্যাথার জন্য উপকারী।
- থানকুনি পাতা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যার ফলে পেটের অসুখ, মুখের ঘা, আমাশয় সহ বিভিন্ন রোগে উপকারি।
- থানকুনি পাতার অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
উপকরন-
- থানকুনি পাতা
- তুলসি পাতা
- আমলা
ব্যবহার-প্রনালী- থানকুনি পাতার সাথে
তুলসি পাতা এবং আমলা একসাথে নিয়ে ব্লেন্ড করে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্ট
চুলে এবং মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিতে হবে। ৩০/৪০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে চুল
ধুয়ে নিতে হবে। এরফলে চুল চুল পড়া বন্ধ হবে।
এছাড়াও অন্য কোন উপাদান ছাড়া শুধু থানকুনি
পাতা বেটে রস তৈরি করে চুলে লাগালেও উপকার পাওয়া যাবে।
থানকুনি পাতার নির্যাস ময়েশ্চারাইজার
এবং টোনার হিসেবে ত্বকে ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন