কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবার উপায়
কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ-
- খাদ্য তালিকায় যথেষ্ট পরিমাণে আঁশ জাতীয় খাবার না থাকা।
- পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান না করা।
- দীর্ঘক্ষন শুয়ে বসে থাকা।
- পায়খানার চাপ আসার পরও তা চেপে রাখা।
- মানসিক চাপ, উদ্বিগ্নতা ও বিষন্নতা।
- কিছু-কিছু ঔষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ফলে।
ঘরোয়া উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি
মিলবে-
- নিয়মিত ইসবগুল পানিতে গুলিয়ে খাবার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি মিলবে।
- কলা শুষ্ক এবং শক্ত মল নরম করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন কলা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।
- বেলের সরবত কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকর। বেল শরীর থেকে টক্সিন দূর করতেও সাহায্য করে।
- আঁশ জাতীয় খাবার, যেমন- ছোলা, ডাল, গাজর, শশা, টমেটো, আপেল ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।
- গোটা শস্যদানার মধ্যে রয়েছে লাল আটা, লাল চাল ইত্যাদি। যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবে।
- কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে দিনে কমপক্ষে ২ লিটার পানি পান করা।
- ব্যায়াম বা শরীরচর্চার ফলে বৃহদন্ত্র সচল হয় এবং পায়খানা হতে সাহায্য করে। একারণে প্রতিদিন কিছুক্ষন ব্যায়াম বা হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
- অনেকে পায়খানার চাপ আসলে পায়খানা না করে আটকে রাখে। বিশেষ করে মহিলারা এই কাজটা বেশি করেন। বাইরে কোথাও গেলে পায়খানা আটকে রাখেন। যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। তাই এই অভ্যাস থাকলে দ্রুত ছাড়তে হবে।
- চেষ্টা করতে হবে মানসিক উদ্বিগ্নতা কাটানোর। প্রয়োজন হলে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে চিকিৎসা গ্রহন করতে হবে। কারণ মানসিক প্রশান্তিতে কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে উঠবে।
- কিছু-কিছু ঔষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভবনা বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ঔষুধ পরিবর্তন করে নেওয়া যেতে পারে। আবার কিছু কিছু রোগ যেমন- ডায়াবেটিস, থাইরয়েডে সমস্যা থেকেও কষা পায়খানা হতে পারে। তাই এসমস্ত রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে হবে।
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে খাবার-
আঁশ জাতীয় খাবার এবং ফলমূল যেমন- নাশপাতি,
খেজুর, আপেল ইত্যাদি দ্রুত কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
তরল খাবার বড় এবং শিশু সকলের জন্য ভালো।
পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। আলুবোখারা, আপেলের রস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকর।
দই হজম শক্তি বাড়ায়। এবং কোষ্ঠকাঠিন্য
দূর করতে সহায়ক।
পুদিনা এবং আদার রসের চা-ও কোষ্ঠকাঠিন্য
দূর করতে কার্যকর।
অলিভ
অয়েল, বাদাম এবং অ্যাভোক্যাডোতে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি যা অন্ত্রকে পিচ্ছিল করে
এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
ভিটামিন
সিতে ভরপুর লেবুর রসে রয়েছে সাইট্রিক অ্যাসিড, যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের
করতে সাহায্য করে। এবং কোষ্ঠকাঠিন্য উপশম করে।
কিসমিস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকর।
সকালে খালি পেটে ১ থেকে ২ চা চামচ ক্যাস্টর
অয়েল খাবার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি মিলবে।
.png)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন