চোখের যত্ন যা উচিত
চোখ হলো ভিজ্যুয়াল সিস্টেমের
অঙ্গ। চোখ আলো শনাক্ত করে এবং এটিকে নিউরনে ইলেক্ট্রো-কেমিক্যাল ইমপালসে রুপান্তর করে।
চোখের যত্নে যা করা প্রয়োজন-
- অল্প বা তীব্র আলোতে বই পড়া এবং অন্যান্য কাজকর্ম করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- সরাসরি সূর্যের আলো যাতে চোখে না পড়ে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
- অন্ধকার রুমে টিভি দেখা থেকে বিরত থাকা। এবং দীর্ঘক্ষন একটানা টিভি না দেখা।
- চোখে প্রসাধনী ব্যবহারের ফলে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস, ব্লেফারাইটিস স্টাই ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
- সাধারণত মাথার চুলে খুশকি থাকলে, চোখেও খুশকি হয়ে ব্লেফারাইটিস রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভবনা বেশি থাকে।
- চশমা ব্যবহারের সময় চশমা যাতে সবসময় পরিষ্কার থাকে এবং লেন্স যেন ফাটা এবং অস্বচ্ছ না থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
- চোখ ভালো রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। এবং ঘুমানোর পূর্বে ঠান্ডা পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে।
- সাধারণত চল্লিশ বছরের পরে বই পড়তে এবং অন্যান্য কাজে চশমার প্রয়োজন হতে পারে। এক্ষেত্রে চক্ষু বিশেষজ্ঞ দ্বারা চোখের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চশমা ব্যবহার করবেন।
- সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচতে রোদে যাবার সময় সানগ্লাস বা রোদ চশমা ব্যবহার করা উচিত।
- কাজ শেষে চোখ নিয়মিত ঠান্ডা পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
- চোখে বিভিন্নসময়ে ধুলিকণা, ছোট কীটপতঙ্গ পড়তে পারে, এসময় চোখ ঘসাঘষি করলে চোখের কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একরণে নরম কটন বাডস বা তুলো পেঁচিয়ে বের করে নিয়ে আসতে হবে।
- অস্বাভাবিক উচ্চ রক্তচাপ এবং অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে চোখের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে।
- এছাড়াও ছোট বাচ্চাদের হুপিংকাশি, ডায়রিয়া, হাম ইত্যাদি রোগে আক্রন্ত হবার ফলে চোখের ক্ষতি হতে পারে। একারণে বাচ্চাদের এসময়ে বিশেষ যত্ন নিতে হবে।
.png)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন