কোলাজেনের অভাব হলে
কোলাজেন একধরনের স্ট্রাকচারাল
প্রোটিন, যা খাদ্যের বিভিন্ন উপাদানের সহাতায় শরীর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করে। যা ত্বক,
চুল, হাড়, দাঁত, পেশি সহ শরীরের সবকিছু তৈরিতেই ভূমিকা রয়েছে। এটি ত্বক এবং নখের স্বাস্থ্য
ভালো রাখতেও কার্যকর।
শরীরে কোলাজেনের ঘাটতির কারণ-
- অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং খাদ্য অভ্যাস।
- নেশা বা ধূমপানের অভ্যাস।
- দূষিত পরিবেশে বসবাস করা।
- আবার কোন রোগের কারনেও শরীরে কোলাজেনের ঘাটতি হতে পারে।
কোলাজেনের
অভাবে যা যা হয়-
- শরীরে কোলাজেনের অভাবে ত্বক শুষ্ক এবং ভাজ পড়ে।
- ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে।
- ত্বকের চামড়া ঝুলে পড়ে।
- শরীরের জয়েন্টে ব্যথা।
- চুল ভঙ্গুর হয়ে ঝড়ে পড়ে।
- হাড় নরম দুর্বল হয়ে যায়।
- হাড় ছাড়াও মাংস পেশি দুর্বল হয়ে যায়।
কোলাজেন নামক এই প্রোটিন
ত্বক এবং চুলের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একারণে বয়সের সাথে-সাথে শরীরে
কোলাজেনের ঘাটতি পূরণে প্রয়োজন কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার।
- অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরে কোলাজেন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাছ, মাংস, ডিম, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, টফু, কটেজ চিজ, দুধ ইত্যাদি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরে অ্যামিনো অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ে। ফলে কোলাজেন তৈরির হারও বেড়ে যায়। এছাড়াও জিঙ্ক শরীরে কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে।
- জিঙ্ক হলো একধরনের মিনারেল উপাদান যা কোলাজেন তৈরি, স্বাস্থ্যকর ত্বক এবং মজবুত চুলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাছ, দুগ্ধ জাতীয় খাবার, তিল ও কুমড়ো বীজ, নাটস, দারুচিনি ইত্যাদিতে ভরপুর থাকে জিঙ্ক।
- ম্যাঙ্গানিজ নামক মিনারেল উপাদান যা কোলাজেন তৈরির উৎসগুলোর কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। বাধাকপি, ফুলকপি, আম, আপেল, গোটা শস্য, বাদাম, সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ। এই ধরনের খাবার খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।
- ভিটামিন সি- ভিটামিন সি কোলাজেন নামক প্রোটিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন-কমলা, লেবু, আম, স্ট্রবেরি, আমলকি, গ্রিন পিপার, ব্রকলি ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন