চুলের আগা ফাটে
সাধারণত সালফেট চুলের কিউটিকলের আর্দ্রতা
কেড়ে নেয়। এরফলে চুল রুক্ষ এবং নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। যার ফলে চুলের আগা ফাটার পরিমাণও
বেড়ে যায়।
চুলের আগা ফাটার কিছু কারণ-
- চুলের রুক্ষতা
- চুলে পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব।
- চুলে গরম পানি ব্যবহার।
- চুল নোংরা ও অপিষ্কার থাকা।
- অতিরিক্ত হেয়ার ড্রয়ার ব্যবহার করা।
- নিয়ম করে চুলের আগা না কাটা।
- পরিপূর্ণ সুষম খাদ্য গ্রহণ না করা।
উপরে চুলের আগা ফাটার কারণগুলো জানা এবং
তা থেকে দূরে থাকা। এবং একই সাথে চুলের আগা ফাটা রোধে কি কি করনীয় আছে সেগুলো মেনে
চলা। যেমন-
- ভেজা চুল জোরে-জোরে আঁচড়ানো থেকে বিরত থাকা।
- চুলের উপকারী হেয়ার প্যাক ব্যবহার করা।
- পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস করা।
- ফেটে যাওয়া আগাগুলো কেটে ফেলা।
চুলের আগা ফাটা রোধে প্যাক-
উপকরন-
- ডিম-১ টি
- কলা- ১ টি
- লেবুর রস- ১ চা চামচ
ব্যবহার-প্রনালী- ডিম ফেটে
কলা ব্লেন্ড করে লেবুর রস দিয়ে সবগুলো উপকরন একসাথে খুব ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি
করে নিতে হবে। এই প্যাক চুল এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। প্রায় ৪০/৪৫
মিনিট পরে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিতে হবে।
উপকরন-
- মেহেদি
- টকদই
- চা-এর লিকার
ব্যবহার-প্রনালী- মেহেদি
ব্লেন্ড করে চা-এর লিকার এবং টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে হবে। এই প্যাক চুল এবং
মাথার ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। প্রায় ৪০/৪৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিতে
হবে।
এছাড়াও আরো যা করতে পারেন-
- চুলের প্রয়োজন মতো নারকেল তেল হালকা গরম করে চুল এবং মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে ৪০/৫০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে চুল পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে ।
- অ্যালোভেরার জেল চুলে লাগিয়ে ৪০/৫০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
- ঘুমানোর সময় নরম বেন্ড দিয়ে চুল বেধে রাখা। এতে বালিসের ঘষা থেকে চুল রক্ষা পাবে।
- প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রোটিনের পাশাপাশি শাক-সবজি, ফলমূল রাখতে হবে।
.png)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন